আজ সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এ আপত্তির কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা টিপাইমুখ বাঁধে বাংলাদেশের অর্থ বিনিয়োগের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানিয়েছেন। লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল মতিন বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যৌথ সমীক্ষা দলে যাঁদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে একজন সরকারিভাবে নদীবিষয়ক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছেন। লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, সমীক্ষা দলে একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলীকে রাখা হয়েছে, যিনি স্বঘোষিত টিপাইমুখ-সমর্থক। বাকি যাঁরা আছেন, তাঁদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থাকলেও তাঁরা নদী ও পানিসম্পদ বিষয়ে অভিজ্ঞ নন।
আবদুুল মতিন আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এই সমীক্ষা দল দিয়ে টিপাইমুখ প্রশ্নে বাংলাদেশের কোনো উপকার হবে কি না বা স্বার্থরক্ষা হবে কি না, এ নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। তিনি এই কমিটি বাদ দিয়ে নতুন কমিটি গঠনের আহ্বান জানান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আকবর আলি খান ও আইনুন নিশাতের মতো বিশেষজ্ঞদের নিয়ে টিপাইমুখ যৌথ সমীক্ষা দল গঠন করা উচিত। তিনি তৃতীয় কোনো একটি দেশের প্রকৃত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞ দল গঠন করারও আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, টিপাইমুখ বাঁধ সমীক্ষার জন্য সরকারকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে বাপা ভবিষ্যতে একটি নাগরিক সমীক্ষা কমিটি গঠন করবে। সংবাদ সম্মেলনে বাপার সভাপতি এসএম শাহজাহান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বক্তব্য দেন। সূত্রঃ প্রথম আলো।


